যে কারণে খলনায়ক হতে চান হাসান মাসুদ

যে কারণে খলনায়ক হতে চান হাসান মাসুদ


মর্নিংসিলেট বিনোদন :: সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন হাসান মাসুদ। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সেসব ফিরিয়ে দিয়েছেন। কারণ, তিনি খুঁজছিলেন বিশেষ একটি চরিত্র। এমন চরিত্র, যেখানে দেশের অভিনেতারা জুতসই অভিনয় করতে পারেন না। তবে তিনি আত্মবিশ্বাসী, তিনি পারবেন।

২০০৪ সালে প্রথম মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ ছবিতে অভিনয় করেন। দর্শকেরা এখনো সেই ছবিতে তাঁর অভিনয়ের প্রশংসা করেন। ছবিটি মুক্তির পর থেকেই তিনি চেয়েছিলেন নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও নিয়মিত হবেন।

শরীফুল ইসলাম চৌধুরী

অভিনয়ও করেছিলেন বেশ কয়েকটি ছবিতে। কিন্তু মনের মতো চিত্রনাট্য না পাওয়ায় গত ১০ বছর কোনো ছবিতে আর অভিনয় করা হয়নি তাঁর। ইচ্ছে ছিল খল চরিত্রে অভিনয় করবেন। কিন্তু সে রকম কাজের প্রস্তাব তিনি পাননি। বিজ্ঞাপন

এই অভিনেতা বলেন, ‘আমাদের দেশে খলনায়কের চরিত্রে যাঁরা অভিনয় করেন, তাঁদের অভিনয় আমার পছন্দ হয় না। আমার কাছে মনে হয়, তাঁদের অভিনয় হয় না। বেশির ভাগ খলনায়ক সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে চিৎকার–চেঁচামেচি করে, ধুমধাম মারামারি করে।

অথচ খলনায়কের চরিত্রে কোনো কথা না বলে শুধু চোখের ভাষা বা ইশারায় অনেক কিছু বোঝানো যায়। কোনো আওয়াজ থাকবে না, কিন্তু অনেক কিছু ঘটে যাবে। এ রকম চরিত্র দেখা যায় ভারতীয় সিনেমাগুলোতে। এমনকি কে যে খলনায়ক, সেটাও শুরুতে বোঝা যায় না। অথচ আমাদের দেশের খলনায়কদের প্রথম দর্শনেই চিনে ফেলেন দর্শক।’ তিনি জানান, গল্প পছন্দ হলে খল চরিত্রকে সাদরে আমন্ত্রণ জানাবেন তিনি।

দীর্ঘ বিরতির পর গত বছর হাসান মাসুদ চুক্তিবদ্ধ হন কলকাতার একটি ছবিতে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ‘ক্যানভাস’ অবলম্বনে ছবিটির গল্প। গত এপ্রিল মাসে শুটিং শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির জন্য তা বাতিল হয়ে যায়।

ছবির গল্পটা পড়ে পছন্দ হয় তাঁর। কিন্তু শুটিং করতে না পারায় কিছুটা হতাশ হয়েছেন। এই অভিনেতা বলেন, ‘ছবিটি আমরা শেষ করতে চাই। কিন্তু করোনার কারণে এখন বিজনেস এবং মেডিকেল ছাড়া অন্য কোনো ভিসা বন্ধ। ভারতীয় হাইকমিশনে যোগাযোগ করেছি। নিরাপত্তার জন্য তারা ভিসা দিচ্ছে না।’

মন্তব্য