হবিগঞ্জে কেয়া চৌধুরী ও আলমগীর চৌধুরী অনুসারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

হবিগঞ্জে কেয়া চৌধুরী ও আলমগীর চৌধুরী অনুসারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া


হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ছবি তুলতে গেলে এক সাংবাদিকের উপর হামলা চালানো হয়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে সদর মডেল থানার সামনে এ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে জেলার শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় সাবেক নারী সংসদ সদস্য (এমপি) আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়াকে লাঞ্ছিতের চেষ্টা চালায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ। এ সময় কেয়া চৌধুরী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরীর গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

শরীফুল ইসলাম চৌধুরী

এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসুচির ডাক দেয় দুই গ্রুপ। আলমগীর চৌধুরীর পক্ষে জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ মিলে একটি এবং কেয়া চৌধুরীর পক্ষে জেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবকলীগ অন্য একটি গ্রুপ। গ্রুপ দুটি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে মুখোমুখি হলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৭ জন আহত হন।

এদিকে, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ছবি তুলতে গেলে জাতীয় ‘দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ’ ও ‘ডেইলি বাংলাদেশ’র জেলা প্রতিনিধি জাকারিয়া চৌধুরীর উপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ কর্মীরা। গুরুত্বর আহত অবস্থা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। এছাড়াও আরও কয়েকজন সাংবাদিকের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করা হয়।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দৌস মোহাম্মদ বলেন, ‘উভয় গ্রুপ বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করছিল। এ সময় তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করে।’

এ ব্যাপারে জানতে আলমগীর চৌধুরী এবং কেয়া চৌধুরীকে বারবার কল দিলেও তারা রিসিভ করেননি।

মন্তব্য